জুনের সর্বনিম্ম প্রাইসে আসতে পারে GBPUSD – কমার্জব্যাঙ্ক

- Advertisement -

মার্কিন ডলারের বিপরীতে টানা নবম দিনের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে ব্রিটিশ পাউন্ড এ মাসের শুরুতে পেয়ারটির দাম বাড়লেও খুব অল্প সময়ের ব্যাবধানে পেয়ারটি ডাউনট্রেন্ডে চলে আসে,কমার্জব্যাঙ্কের সিনিয়র এফআইসিসি টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস্ট অ্যাক্সেল রুডলফ সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলেছেন,সামনের সপ্তাহ গুলোতে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস কমে জুলাই এর সর্বনিন্ম প্রাইস ১.৩৫৭০ এ যেতে পারে।আজ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে ১.৩৮৪৪ প্রাইসে ওপেন হলেও বর্তমানে পেয়ারটি দাম কিছুটা বেঁড়ে ১.৩৮৬০ প্রাইসের কাছাকছি মুভমেন্ট করছে।পেয়ারটির দাম আরো বাড়ে কিনা সেটা দেখার বিষয়।

মূলত গত সপ্তাহ থেকে ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম কমতে শুরু করেছে ফেডারেল রিজার্ভের ভাইস প্রেসিডেন্টের উৎসাহ ব্যঞ্জক আলোচনা এবং প্রত্যাশিত ননফার্ম পেরোলস রিপোর্ট মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে, বর্তমানে ডলার কয়েক মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ৯৩.০০ তে উঠে এসেছে ।  ব্লুমবার্গের ট্রেজারি সেক্রেটারি ইয়েলেন বলেন, এই বছরের শেষের দিকে মুদ্রাস্ফীতি ফেডের লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পর্যায়ে চলবে।  এর পরে, সান ফ্রান্সিসকো ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মেরি ড্যালিও পিবিএস নিউশোর সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় মুদ্রানীতি কঠোর করার পক্ষে ইঙ্গিত প্রকাশ করেছেন।  

GBPUSD বিনিয়োগকারীদের নজর থাকবে আজ দুপুর ৪ টায় মার্কিন NFIB Small Business Index  এছাড়া সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে Prelim Nonfarm Productivity q/q, Prelim Unit Labor Costs q/q প্রকাশিত হবে।ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন ডাটাকে কেন্দ্র করে ব্রিটিশ পাউন্ডের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভাজের অনুযায়ী GBPUSD ১.৩৮০০ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১.৩৮৯০এবং ১.৩৯৩০।

পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ৩০ জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৩৯৮২ 

- Advertisement -

সাম্প্রতিক

- Advertisement -

Related news

- Advertisement -

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here