১.৩৮০০ প্রাইসের নিচে পাউন্ডের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে-UOB

- Advertisement -

মার্কিন ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের দাম কমছে বেশ কিছুদিন ধরে, বর্তমানে পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ডের দিকে যাচ্ছে। এ সপ্তাহের প্রথম দিনে পেয়ারটির ১.৩৯৩০ প্রাইসের উপরে উঠলেও পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস কমতে থাকে, গতকাল পেয়ারটি  সর্বোচ্চ ১.৩৮৮০ প্রাইসে আসলেও আপ্ট্রেন্ড শক্তিশালী ছিল নি যার ফলে নিউইয়াক সেশনে পেয়ারটি সর্বনিম্ম ১.৩৮১২ প্রাইসে হিট করে। FX Strategists at UOB Group. মতে, পেয়ারটি ১.৩৮০০ প্রাইসের নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। সেক্ষেত্রে  পরবর্তী সাপোর্ট ১.৩৭৮৫।

অপরদিকে  মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৩ মাসের সর্বোচ্চের দিকে যাচ্ছে,বর্তমানে মার্কিন ডলারের প্রাইস ৯২.০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। সংক্রামক ডেল্টা করোনাভাইরাস স্ট্রেন এশিয়া এবং আরও কিছু অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার কারণে লকডাউনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে ব্রিটিশ পাউন্ডের প্রাইস কমছে।  যুক্তরাজ্যে সংক্রামণ বৃদ্ধি সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ১৯ জুলাই করোনাভাইরাস বিধিনিষেধ প্রত্যাহারে বিষয়ে অনড় রয়েছে।

আজ পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো বেশ কিছু নিউজ আছে। দুপুর ১২টায়  প্রকাশিত হবে ব্রিটিশ Revised Business Investment q/q,final gdp,current account,এছাড়া সন্ধ্যা ৬.১৫ মার্কিন ADP Non-Farm Employment Change, ৭.৪৫ chicago PMI ,৮.০০  Pending Home Sales m/m  ৮.৩০ Crude Oil Inventories প্রকাশিত হবে ধারনা করা যাচ্ছে ইভেন্ট গুলোর কারনে পাউন্ডের উপর ভালো প্রভাব পড়বে।

MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ৫০ দিনের মু্ভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১.৩৮০০ সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে। পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ২১ জুনের  নিন্ম প্রাইস ১.৩৭৮৫।আপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.৩৮৮০ এবং পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.৩৯৩০।

- Advertisement -

সাম্প্রতিক

- Advertisement -

Related news

- Advertisement -

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here